সফর মাস ও আখেরী চাহার শোম্বা বিষয়ক বিদ‘আত
সফর মাসকে কেন্দ্র করে অনেক মিথ্যা ও ভিত্তিহীন কথা মুসলিম সমাজে প্রচলিত হয়েছে। এমনকি জাতীয় দৈনিক পত্রিকাগুলোতেও এই মাসের ফযীলতের কথা লেখা হয়।
এগুলোকে আমরা তিন ভাগে বিভক্ত করতে পারি।
প্রথমত: সফর মাসের ‘অশুভত্ব’ ও ‘বালা-মুসীবত’ বিষয়ক,
দ্বিতীয়ত: সফর মাসের প্রথম তারিখ বা অন্য সময়ে বিশেষ সালাত,
তৃতীয়ত: আখেরী চাহার শোম্বা বা সফর মাসের শেষ বুধবার বিষয়ক।
সফর মাসের ‘অশুভত্ব’ ও ‘বালা-মুসীবত’
কোনো স্থান, সময়, বস্তু বা কর্মকে অশুভ, অযাত্রা, বা অমঙ্গলময় বলে মনে করা ইসলামী বিশ্বাসের ঘোর পরিপন্থি একটি কুসংস্কার। আরবরা জাহেলী যুগ থেকে ‘সফর’ মাসকে অশুভ ও বিপদাপদের মাস বলে বিশ্বাস করত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের এই কুসংস্কারের প্রতিবাদ করে বলেন,
«…لاَ طِيَرَةَ، وَلاَ هَامَةَ وَلاَ صَفَرَ…»
“…কোনো অশুভ অযাত্রা নেই, কোনো ভুত প্রেত বা অতৃপ্ত আত্মা নেই এবং সফর মাসের অশুভত্বের কোনো অস্তিত্ব নেই…।”[১]
অথচ এরপরেও মুসলিম সমাজে অনেকের মধ্যে পূর্ববর্তী যুগের এ সকল কুসংস্কার থেকে যায়। শুধু তাই নয়, এ সকল কুসংস্কারকে উস্কে দেওয়ার জন্য অনেক বানোয়াট কথা হাদীসের নামে বানিয়ে সমাজে প্রচার করেছে জালিয়াতরা। তারা জালিয়াতি করে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের নামে বলেছে, এই মাস বালা-মুসীবতের মাস। এই মাসে এত লক্ষ এত হাজার…বালা নাযিল হয়। …এই মাসেই আদম ‘আলাইহিস সালাম (নিষিদ্ধ গাছের) ফল খেয়েছিলেন। এ মাসেই হাবীল নিহত হন। এ মাসেই নূহ ‘আলাইহিস সালামের জাতি ধ্বংস হয়। এ মাসেই ইব্রাহীম ‘আলাইহিস সালামকে আগুনে নিক্ষেপ হয়। …এ মাসের আগমনে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম ব্যথিত হতেন। এই মাস চলে গেলে খুশী হতেন…। তিনি বলতেন, ‘যে ব্যক্তি আমাকে সফর মাস অতিক্রান্ত হওয়ার সুসংবাদ প্রদান করবে, আমি তাকে জান্নাতে প্রবেশ করার সুসংবাদ প্রদান করব’…ইত্যাদি অনেক কথা তারা বানিয়েছে। আর অনেক সরলপ্রাণ বুযুর্গও তাদের এ সকল জালিয়াতি বিশ্বাস করে ফেলেছেন। মুহাদ্দিসগণ একমত যে, সফর মাসের অশুভত্ব ও বালা-মুসীবত বিষয়ক সকল কথাই ভিত্তিহীন মিথ্যা।
সফর মাসের প্রথম রাতের সালাত
উপরোক্ত মিথ্যা কথাগুলোর ভিত্তিতেই একটি ভিত্তিহীন সালাতের উদ্ভাবন করা হয়েছে। বলা হয়েছে, কেউ যদি সফর মাসের প্রথম রাত্রিতে মাগরিবের পরে কিংবা এশার পর চার রাকাত সালাত আদায় করে, অমুক অমুক সূরা বা আয়াত এতবার পাঠ করে…তবে সে বিপদ থেকে রক্ষা পাবে, এত পুরস্কার পাবে…ইত্যাদি। এগুলো সবই ভিত্তিহীন বানোয়াট কথা, যদিও অনেক সরলপ্রাণ আলেম ও বুযুর্গ এগুলো বিশ্বাস করেছেন বা তাদের বইয়ে ও ওয়াজে উল্লেখ করেছেন।[২]
সফর মাসের শেষ বুধবার
বিভিন্ন জাল হাদীসে বলা হয়েছে, বুধবার অশুভ এবং যেকোনো মাসের শেষ বুধবার সবচেয়ে অশুভ দিন। আর সফর মাস যেহেতু অশুভ, সেহেতু সফর মাসের শেষ বুধবার বছরের সবচেয়ে অশুভ দিন এবং এই দিনে সবচেয়ে বেশি বালা-মুসীবত নাযিল হয়। এসব ভিত্তিহীন কথাবার্তা অনেক সরলপ্রাণ বুযুর্গ ব্যক্তি বিশ্বাস করেছেন। একজন লিখেছেন, “সফর মাসে এক লাখ বিশ হাজার ‘বালা’ নাযীল হয় এবং সকল দিনের চেয়ে বেশি আখেরী চাহার শোম্বা (সফর মাসের শেষ বুধবার)-এ নাযিল হয় সবচেয়ে বেশি। সুতরাং ঐ দিনে যে ব্যক্তি নিম্নোক্ত নিয়মে চার রাকাত সালাত আদায় করবে, আল্লাহ তা‘আলা তাকে ঐ বালা হতে রক্ষা করবেন এবং পরবর্তী বছর পর্যন্ত তাকে হেফাযত রাখবেন…।[৩] এগুলো সবই ভিত্তিহীন কথা। তবে আমাদের দেশে বর্তমানে ‘আখেরী চাহার শোম্বা’র প্রসিদ্ধি এই কারণে নয়, বরং অন্য কারণে। প্রচলিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম সফর মাসের শেষ দিকে অসুস্থ হয়ে পড়েন। তিনি সফর মাসের শেষ বুধবারে কিছুটা সুস্থ হন এবং গোসল করেন। এরপর তিনি পুনরায় অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং এই অসুস্থতাতেই তিনি পরের মাসে মারা যান। এজন্য মুসলিমগণ এই দিনে তাঁর সর্বশেষ সুস্থতা ও গোসলের স্মৃতি উদযাপন করেন।
এ বিষয়ে প্রচলিত একটি কাহিনীর সারসংক্ষেপ একটি পুস্তক থেকে হুবহু উদ্ধৃত করা হলো:
“হযরত নবী করিম (সাঃ) দুনিয়া হইতে বিদায় নিবার পূর্ববর্তী সফর মাসের শেষ সপ্তাহে ভীষণভাবে রোগে আক্রান্ত হইয়াছিলেন। অতঃপর তিনি এই মাসের শেষ বুধবার দিন সুস্থ হইয়া গোসল করতঃ কিছু খানা খাইয়া মসজিদে নববীতে হাজির হইয়া নামাজের ইমামতি করিয়াছিলেন। ইহাতে উপস্থিত সাহাবীগণ অত্যন্ত আনন্দিত হইয়াছিলেন। আর খুশীর কারণে অনেকে অনেক দান খয়রাত করিয়াছিলেন। বর্ণিত আছে হযরত আবু বকর (রাঃ) খুশীতে ৭ সহস্র দিনার এবং হযরত ওমর ইবনে খাত্তাব (রাঃ) ৫ সহস্র দিনার, হযরত ওসমান (রাঃ) ১০ সহস্র দিনার, হযরত আলী (রাঃ) ৩ সহস্র দিনার এবং হযরত আব্দুর রহমান ইবনে আউফ (রাঃ) ১০০ উট ও ১০০ ঘোড়া আল্লাহর ওয়াস্তে দান করিয়াছিলেন। তৎপর হইতে মুসলমানগণ সাহাবীগণের নীতি অনুসরণ ও অনুকরণ করিয়া আসিতেছে। হযরত নবী করিম (সাঃ) এর আই দিনের গোসলই জীবনের শেষ গোসল ছিল। ইহার পর আর তিনি জীবিতকালে গোসল করেন নাই। তাই সকল মুসলমানের জন্য এই দিবসে ওজু-গোসল করতঃ ইবাদত-বন্দেগী করা উচিত এবং হযরত নবী করিম (সাঃ) এর প্রতি দুরুদ শরীফ পাঠ করতঃ সওয়াব রেছানী করা কর্তব্য…।”[৪]
উপরের এই কাহিনীটিই কম-বেশি সমাজে প্রচলিত বিভিন্ন গ্রন্থে লেখা রয়েছে। আমি আমার সাধ্যমত চেষ্টা করেও কোনো সহীহ বা দ্ব‘ঈফ হাদীসে এই ঘটনার কোনো প্রকার উল্লেখ পাইনি। হাদীস তো দূরের কথা, কোনো ইতিহাস বা জীবনীগ্রন্থেও আমি এ ঘটনার কোনো উল্লেখ পাইনি। ভারতীয় উপমহাদেশ ছাড়া অন্য কোনো মুসলিম সমাজে ‘সফর মাসে শেষ বুধবার’ পালনের রেওয়াজ বা এই কাহিনী প্রচলিত আছে বলে আমার জানা নেই।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের সর্বশেষ অসুস্থতা
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম সফর বা রবিউল আউয়াল মাসের কত তারিখ থেকে অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং কত তারিখে মারা যান সে বিষয়ে হাদীসে কোনোরূপ উল্লেখ বা ইঙ্গিত নেই। অসংখ্য হাদীসে তাঁর অসুস্থতা, অসুস্থতাকালীন অবস্থা, কর্ম, উপদেশ, তাঁর মৃত্যু ইত্যাদির ঘটনা বিস্তারিত বর্ণিত হয়েছে। কিন্তু কোথাও কোনোভাবে কোন দিন, তারিখ বা সময় বলা হয়নি। কবে তাঁর অসুস্থতা শুরু হয়, কতদিন অসুস্থ ছিলেন, কত তারিখে মারা যান সে বিষয়ে কোনো হাদীসেই কিছু উল্লেখ করা হয়নি।
দ্বিতীয় হিজরী শতক থেকে তাবেয়ী ও তাবে-তাবেয়ী আলিমগণ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের জীবনের ঘটনাবলি ঐতিহাসিক দিন তারিখ সহকারে সাজাতে চেষ্টা করেন। তখন থেকে মুসলিম আলিমগণ এ বিষয়ে বিভিন্ন ঘটনা পেশ করেছেন।
তাঁর অসুস্থতা সম্পর্কে অনেক ঘটনা রয়েছে। কেউ বলেছেন সফর মাসের শেষ দিকে তাঁর অসুস্থতার শুরু। কেউ বলেছেন রবিউল আউয়াল মাসের শুরু থেকে তাঁর অসুস্থতার শুরু। দ্বিতীয় হিজরী শতকের প্রখ্যাত তাবেয়ী ঐতিহাসিক ইবন ইসহাক (১৫১হি/৭৬৮ খ্রি.) বলেন,
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে অসুস্থতায় মারা যান, সেই অসুস্থতার শুরু হয়েছিল সফর মাসের শেষ কয়েক রাত থাকতে, অথবা রবিউল আউয়াল মাসের শুরু থেকে।[৫]
কী বার থেকে তাঁর অসুস্থতার শুরু হয়েছিল, সে বিষয়েও মতভেদ রয়েছে। কেউ বলেছেন শনিবার, কেউ বলেছেন বুধবার এবং কেউ বলেছেন সোমবার তাঁর অসুস্থতার শুরু হয়।
কয়দিনের অসুস্থতার পরে তিনি মারা যান, সে বিষয়ে মতভেদ রয়েছে। কেউ বলেছেন, ১০ দিন, কেউ বলেছেন ১২ দিন, কেউ বলেছেন ১৩ দিন এবং কেউ বলেছেন ১৪ দিন অসুস্থ থাকার পর তিনি মারা যান। তিনি কোন তারিখে মারা যান সে বিষয়েও মতভেদ রয়েছে। কেউ বলেছেন ১ রবিউল আউয়াল, কেউ বলেছেন ২ রবিউল আউয়াল এবং কেউ বলেছেন ১২ রবিউল আউয়াল তিনি মারা যান।
সর্বাবস্থায় কেউ কোনোভাবে বলছেন না যে, অসুস্থতা শুরু হওয়ার পরে মাঝে কোনো দিন তিনি সুস্থ হয়েছিলেন। অসুস্থ অবস্থাতেই মৃত্যুর কয়েকদিন আগে তিনি গোসল করেছিলেন বলে সহীহ হাদীসে বর্ণিত হয়েছে। সহীহ বুখারীতে আয়েশা রাদ্বিয়াল্লাহু ‘আনহা বলেন, “রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন আমার গৃহে প্রবেশ করলেন এবং তাঁর অসুস্থতা বৃদ্ধি পেল, তখন তিনি বললেন, তোমরা আমার উপরে ৭ মশক পানি ঢাল…; যেন আমি আরাম বোধ করে লোকদের নির্দেশনা দিতে পারি। তখন আমরা এভাবে তাঁর দেহে পানি ঢাললাম…। এরপর তিনি মানুষদের নিকট বেরিয়ে যেয়ে তাদেরকে নিয়ে সালাত আদায় করলেন এবং তাদেরকে খুৎবা প্রদান করলেন বা ওয়াজ করলেন।”[৬]
এখানে স্পষ্ট যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর অসুস্থতার মধ্যেই অসুস্থতা ও জ্বরের প্রকোপ কমানোর জন্য এভাবে গোসল করেন, যেন কিছুটা আরামবোধ করেন এবং মসজিদে গিয়ে সবাইকে প্রয়োজনীয় নসীহত করতে পারেন।
এই গোসল করার ঘটনাটি কত তারিখে বা কি বারে ঘটেছিল তা হাদীসের কোনো বর্ণনায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়নি। তবে আল্লামা ইবন হাজার আসকালানী রাহিমাহুল্লাহ সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিমের অন্যান্য হাদীসের সাথে এই হাদীসের সমন্বয় করে উল্লেখ করেছেন যে, এই গোসলের ঘটনাটি ঘটেছিল মৃত্যুর আগের বৃহস্পতিবার, অর্থাৎ মৃত্যুর ৫ দিন আগে।[৭] ১২ই রবিউল আউয়াল মারা গেলে তা ঘটেছিল ৮ই রবিউল আউয়াল।
উপরের আলোচনা থেকে প্রতীয়মান হয় যে, সফর মাসের শেষ বুধবার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুস্থ হওয়া, গোসল করা এবং এজন্য সাহাবীগণের আনন্দিত হওয়া ও দান-সাদাকাহ করার এ সকল কাহিনীর কোনোরূপ ভিত্তি নেই। আল্লাহই ভালো জানেন।
যেহেতু মূল ঘটনাটিই প্রমাণিত নয়, সেহেতু সেই ঘটনা উদযাপন করা বা পালন করার প্রশ্নই উঠে না। এরপরও আমাদের বুঝতে হবে যে, কোনো আনন্দের বা দুঃখের ঘটনায় আনন্দিত ও দুঃখিত হওয়া এক কথা, আর প্রতি বছর সেই দিনে আনন্দ বা দুঃখ প্রকাশ করা বা ‘আনন্দ দিবস’ কিংবা ‘শোক দিবস’ উদযাপন করা সম্পূর্ণ অন্য কথা। উভয়ের মধ্যে আসমান যমীনের পার্থক্য।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের জীবনে অনেক আনন্দের দিন বা মুহূর্ত এসেছে, যখন তিনি অত্যন্ত আনন্দিত হয়েছেন, শুকরিয়া জ্ঞাপনের জন্য আল্লাহর দরবারে সাজদাবনত হয়েছেন। কোনো কোনো ঘটনায় তাঁর পরিবারবর্গ ও সাহাবীগণও আনন্দিত হয়েছেন ও বিভিন্নভাবে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। কিন্তু পরের বছর বা পরবর্তী কোনো সময়ে সেই দিন বা মুহূর্তকে তারা বাৎসরিক ‘আনন্দ দিবস’ হিসেবে উদযাপন করেননি। এজন্য রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের নির্দেশ বা সাহাবীদের কর্ম ছাড়া এরূপ কোনো দিন বা মুহূর্ত পালন করা বা এগুলোতে বিশেষ ইবাদতকে বিশেষ সওয়াবের কারণ বলে মনে করার কোনো সুযোগ নেই।
আখেরী চাহার শোম্বা
উপরের আলোচনা থেকে আমরা জানতে পেরেছি যে, সফর মাসের শেষ বুধবারের কোনো প্রকার বিশেষত্ব হাদীস দ্বারা প্রমাণিত নয়। এ দিনে ইবাদত-বন্দেগী, সালাত, সিয়াম, যিকির, দো‘আ, দান-সাদাকাহ ইত্যাদি পালন করলে অন্য দিনের চেয়ে বেশি বা বিশেষ কোনো সাওয়াব বা বরকত লাভ করা যাবে বলে ধারণা করা ভিত্তিহীন ও বানোয়াট কথা।
আল্লাহ আমাদের সকলকে সর্বপ্রকার বিদ‘আত থেকে বেঁচে থাকার তাওফীক দান করুন। আমীন!
- [১]সহীহ বুখারী ৫/২১৫৯, ২১৬১, ২১৭১, ২১৭৭; সহীহ মুসলিম ৪/১৭৪২—১৭৪৫।
- [২]যেমন খাজা নিজামুদ্দীন আউলিয়া, রাহাতুল কুলুব, পৃষ্ঠা ১৩৮-১৩৯; মুফতি হাবীব ছামদানী, বারো চান্দের ফযীলত, পৃষ্ঠা ১৪।
- [৩]খাজা নিজামুদ্দীন আউলিয়া, রাহাতুল কুলুব, পৃষ্ঠা ১৩৯।
- [৪]বারো চান্দের ফযীলত, পৃষ্ঠা ১২।
- [৫]ইবন হিশাম, আস-সীরাতুন নাবাবিয়্যাহ (৪/২৮৯)।
- [৬]সহীহ বুখারী (১/৮৩), (৪/১৬১৪), (৫/২১৬০)।
- [৭]ইবন হাজার, ফাতহুল বারী (৮/১৪২)।