bn বাংলা
বাংলা বাংলা
English English
عربي عربي


+8801575-547999
সকাল ৯টা হতে রাত ১০টা
Community Welfare Initiative
সালেহ ইবন ফাওযান আল-ফাওযান | Saleh Al-Fawzan | صالح بن فوزان الفوزان

সালেহ ইবন ফাওযান আল-ফাওযান

সালিহ আল-ফাওযান (জন্মঃ ১৯৩৩ খ্রিঃ) একজন ইসলামী ধর্মতত্ত্ববিদ এবং সৌদি আরবের সর্বোচ্চ উলামা পরিষদের সদস্য। তার পদবি আল-ফাওযান নামেও বর্ণান্তরিত হয়ে থাকে। এছাড়া তিনি সালেহ ইবন ফাওজান ইবন আব্দুল্লাহ, সালেহ ইবন ফাওজান আল-ফাওজান, সালিহ ইবন আব্দুল্লাহ ইবন ফাওজান, সালেহ বিন ফাউজান আল-ফাওজান ও সালেহ আল-ফাওজান নামেও পরিচিত।

তাঁর শিক্ষাজীবন শুরু হয় নিকটস্থ মসজিদের ইমামের কাছ থেকে কুরআন শিক্ষা ও মৌলিক জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে। এরপর তিনি আশ-শামসিয়্যাহর একটি সরকারি বিদ্যালয়ে ১৯৪৮ সালে প্রতিষ্ঠার পর সেখানে অধ্যয়ন করেন। ১৯৫০ সালে তিনি বুরায়দাহ-তে অবস্থিত ফায়সালিয়্যাহ বিদ্যালয় থেকে সেখানকার পড়াশোনা সমাপ্ত করেন এবং শিক্ষক হিসেবে সেই বিদ্যালয়ে নিয়োগ লাভ করেন। ১৯৫২ সালে বুরায়দাহর এডুকেশনাল ইন্সটিটিউট চালু হবার পর শাইখ ফাওজান সেখানে ভর্তি হন এবং ১৯৫৬ সালে গ্রাজুয়েট হন। তিনি ১৯৬০ সালে ইমাম রিয়াদের মুহাম্মদ ইবন সউদ ইসলামিক ইউনিভার্সিটি থেকে শারিয়াহ ফ্যাকাল্টি থেকে গ্রাজুয়েট সম্পন্ন করেন। এরপর ফিকাহ-এর উপর মাস্টার্স ও ডক্টরেট করেন।

ডক্টরেট সম্পন্ন করার পর তিনি রিয়াদের ইমাম মুহাম্মদ এডুকেশনাল ইন্সটিটিউট-এর শারিয়াহ ফ্যাকাল্টিতে শিক্ষক হিসেবে নিযুক্ত হন। পরে তিনি উচ্চতর শিক্ষা বিভাগ ও উসুল আদ-দ্বীন ফ্যাকাল্টিতে স্থানাতরিত হন। তিনি পরবর্তীতে সৌদি আরবের সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এই পদ থেকে অব্যাহতির পরে পুনরায় তিনি অধ্যাপনায় ফিরে যান।

তিনি সৌদি আরবের সর্বোচ্চ ধর্মীয় সংস্থা “ঊর্ধ্বতন উলামা পরিষদ”-এর একজন সদস্য ছিলেন যা ধর্মীয় ব্যাপারে বাদশাহকে উপদেশ প্রদান করে থাকে। তিনি বর্তমানে ইসলামী গবেষণা ও ফাতাওয়া প্রদান স্থায়ী কমিটির সদস্য, যা “ঊর্ধ্বতন উলামা পরিষদ”-এর একটি কমিটি। এই পরিষদটি ঊর্ধ্বতন ধর্মতত্ত্ববিদের দ্বারা ইসলামী আইন বা ফিকাহ-এর বিষয় ও বিধিবিধান এবং গবেষণা পত্র প্রণয়ন করে থাকে।

সালেহ ইবন ফাওযান আল-ফাওযান এর প্রবন্ধসমূহ

আল্লাহর শরী‘আত বাদ দিয়ে যারা অন্য আইন অনুযায়ী হুকুম প্রদান করে তাদের বিধান

আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ﴿وَمَن لَّمۡ يَحۡكُم بِمَآ أَنزَلَ ٱللّٰهُ فَأُوْلَٰٓئِكَ هُمُ ٱلۡكَٰفِرُونَ﴾ [المائ‍دة: ٤٤] “আল্লাহ যা অবতীর্ণ করেছেন তদনুযায়ী যারা হুকুম দেয় না, তারাই কাফির।” [সূরা আল-মায়েদা: ৪৪] এ আয়াতে কারীমায় স্পষ্টভাবে বর্ণিত হয়েছে যে, আল্লাহ তা‘আলার অবতারিত শরী‘আত ব্যতীত…

আইন রচনা এবং হালাল-হারাম নির্ধারণের অধিকার দাবী করা

বান্দার ইবাদাত, মু‘আমালাত ও জীবনের সকল ক্ষেত্রে আইন ও বিধান রচনার অধিকার একমাত্র আল্লাহর- যিনি মানুষের প্রভু ও সৃষ্টি জগতের সৃষ্টিকর্তা। এছাড়া বিবাদ-বিসম্বাদ মিমাংসাকারী ও ঝগড়া-ঝাটি নিষ্পত্তিকারী আইন প্রণয়নের অধিকারও একমাত্র তাঁরই। আল্লাহ বলেন, ﴿أَلَا لَهُ ٱلۡخَلۡقُ وَٱلۡأَمۡرُۗ تَبَارَكَ ٱللَّهُ…

আহলে বাইতের ফযীলত, তাদের প্রতি আমাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য

আহলে বাইত বলতে নবী করীম সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের সেই পরিবার-পরিজন বুঝানো উদ্দেশ্য, যাদের ওপর সদকা হারাম। তারা হলেন আলী, জাফর এবং আব্বাস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুম-এর পরিবার ও সন্তান-সন্ততি এবং বনু হারেস ইবন আব্দুল মুত্তালিব এবং নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের সকল পবিত্রা…

Page 2 of 2