bn বাংলা
বাংলা বাংলা
English English
عربي عربي


+8801575-547999
সকাল ৯টা হতে রাত ১০টা
Community Welfare Initiative
মুহাম্মাদ বিন সালেহ আল-উসাইমীন | Muhammad Ibn Salih Al-Uthaymeen | محمد بن صالح العثيمين

মুহাম্মাদ বিন সালেহ আল-উসাইমীন

তিনি ১৯২৫ সালের ৯ মার্চ সৌদি আরবের কাসিম অঞ্চলের উনাইযা শহরে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি খুব অল্প বয়সেই কুরআন মুখস্থ করেছিলেন। অধ্যয়নের সময় তিনি সৌদি আরবের প্রখ্যাত ওলামার তত্ত্বাবধানে হাদিস, তাফসির, ধর্মতত্ত্ব ও আরবি ভাষায় অগাধ ধর্মীয় শিক্ষা গ্রহণ করেন এবং রিয়াদের শরীয়ত কলেজ, উম্মুল কুরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক হন। তিনি সৌদি সিনিয়র ইসলামিক স্কলার কমিশনের সদস্য, কাসিমের ইমাম মোহাম্মদ বিন সৌদ ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এবং এর একাডেমিক কাউন্সিলের সদস্য হন। ইসলামিক মতবাদের বিভিন্ন দিক নিয়ে কাজে চুক্তি করেন। তাঁর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বইগুলো হলো ফিকহ সম্পর্কিত। তাঁর ১৫ খণ্ডের বই এবং কুরআনের ব্যাখ্যার ওপর ১০ খণ্ডের বই রয়েছে। রমযানের সময় তিনি মক্কার পবিত্র মসজিদে শিক্ষকতাও করেছিলেন।
তাকে সাধারণভাবে শায়খ ইবনে উসাইমীন নামে ডাকা হতো। নিয়মিত ক্লাস, প্রকাশনা, রেডিও অনুষ্ঠান এবং প্রচার ও পরামর্শ কার্যক্রমের মাধ্যমে ছাত্র ও জনগণের সাথে দীন ইসলাম সম্পর্কে শিক্ষা দিতেন।
মুসলিম পণ্ডিত হিসেবে তাঁর বিশিষ্ট কর্মজীবন এবং ইসলামের উদ্দেশ্যকে উৎসাহিত করার জন্য তার অক্লান্ত প্রচেষ্টার স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে ইসলাম পরিসেবায় বাদশাহ ফয়সাল আন্তর্জাতিক পুরস্কার প্রদান করা হয়।
তিনি ১৫ শাওয়াল ১৪২১ হিজরী বা ১০ জানুয়ারি ২০০১ সালে রোজ বুধবার মারা যান। এ সময় তাঁর বয়স হয়ে ছিল ৭৪ বছর।

গ্রন্থাবলি (৩)

সালাত বর্জনকারীর বিধান

সালাত বর্জনকারীর বিধান

মুহাম্মাদ বিন সালেহ আল-উসাইমীন
৪৮ পৃষ্ঠা
সিয়াম, তারাবীহ ও যাকাত সম্পর্কিত কতিপয় অধ্যায়

সিয়াম, তারাবীহ ও যাকাত সম্পর্কিত কতিপয় অধ্যায়

মুহাম্মাদ বিন সালেহ আল-উসাইমীন
৩৮ পৃষ্ঠা
রমযান মাসের ৩০ আসর

রমযান মাসের ৩০ আসর

মুহাম্মাদ বিন সালেহ আল-উসাইমীন
সবুজপত্র পাবলিকেশন্স
৫৭৬ পৃষ্ঠা

ফতোয়াসমূহ (৮)

হজ্জ, উমরা, মক্কা শরীফ ইত্যাদি সম্পর্কীয় কিছু প্রয়োজনীয় প্রশ্নোত্তর ফতোয়া

সূচীপত্র প্রশ্ন-১: রমযানে ওমরা পালন করার ব্যাপারে কোনো সহীহ হাদীস বর্ণিত আছে কী? প্রশ্ন-২: রমযানের সিয়াম মক্কায় পালন করার বিষয়ে কোনো সহীহ হাদীস বর্ণিত আছে কী? প্রশ্ন-৩: হজ্জ ও ওমরার উদ্দেশ্য গমনকারীদের সঙ্গে হারাম খেলার সামগ্রী নিয়ে যাওয়ার হুকুম কী?…

কাফির কি দীন শিক্ষার জন্য মসজিদে প্রবেশ করতে পারবে?

প্রশ্ন: কোনো আলোচনা কিংবা তা‘লীম শোনার উদ্দেশ্যে কাফিরের জন্য মসজিদে প্রবেশ করা জায়েয আছে কিনা? উত্তর: আল-হামদুলিল্লাহ। হ্যাঁ, এটি জায়েয আছে। তবে শর্ত হলো, কাফিরটি দ্বারা মসজিদ নাপাক হওয়ার কোনো সম্ভাবনা না থাকা। কারণ, কাফিরটির মসজিদে প্রবেশ করা তার ভালোর…

নফল রোজা ভঙ্গ করলে কি কাযা বা কাফফারা ওয়াজিব হয়?

প্রশ্ন: এক ব্যক্তি নফল সিয়ামের দিন ফজরের পর পান করেছে, তার ওপর কি কাফফারা ওয়াজিব? আমি প্রতি সোম ও বৃহস্পতিবার নফল সিয়াম পালন করি। এক রাতের ঘটনা, আমি সাহরী খেয়ে পানি পান না করেই ঘুমিয়ে পড়ি, ফজরের এক ঘণ্টা পর…

নারীদের পক্ষে মাহরাম ছাড়া শুধু মেয়েদের সাথে হজ করার বিধান

প্রশ্ন: আমি সৌদি আরব বসবাস করি। সেখানেই আমার কর্মস্থল। গত বছর আমি আমার দুই বান্ধবীর সাথে হজ পালন করতে যাই, আমাদের সাথে কোনো মাহরাম ছিল না। এ বিষয়ে শরীয়তের বিধান সম্পর্কে জানতে চাই। উত্তর: আল-হামদুলিল্লাহ, শাইখ মুহাম্মাদ ইবন আল-উসাইমীন রাহিমাহুল্লাহ…

হজের মাসে উমরাহ আদায় প্রসঙ্গ

প্রশ্ন: কারো পক্ষে হজের মাসসমূহে হজ আদায় না করে শুধু উমরাহ আদায় করা বৈধ কি না? যেমন, আমি হজের প্রায় অর্ধমাস পূর্বে মক্কা মুকাররমায় প্রবেশ করে উমরাহ আদায় করলাম। এর পর হজ না করেই নিজ দেশে ফিরে আসলাম। আমার জন্য…

ইয়াহূদী-খৃস্টানরা কি কাফির?

প্রশ্ন: জনৈক বক্তা-ওয়ায়েজ ইউরোপের এক মসজিদে বলেন, ইয়াহূদী ও খৃস্টানদের কাফির বলা জায়েয নয়, খুব সম্ভব আপনারা জানেন, ইউরোপের মসজিদসমূহে যারা যাওয়া-আসা ও আলোচনা করেন, তাদের ইলমী পূঁজি খুব কম। আমরা আশঙ্কা করছি এ জাতীয় কথা সাধারণের ভিতর ছড়িয়ে পড়তে…

মুসলিমদের জন্য ভালোবাসা দিবস উদযাপনের বিধান

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম প্রশ্ন: শ্রদ্ধেয় শাইখ মুহাম্মাদ ইবন সালেহ আল-উসাইমীন (হাফিযাহুল্লাহ), আসসালামু ‘আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহু। সাম্প্রতিক সময়ে ‘ভালোবাসা দিবস’ উদযাপন অনেকের (বিশেষ করে ছাত্রীদের) মাঝে ছড়িয়ে পড়েছে, যা খ্রিষ্টানদের একটি উৎসব। তখন প্রত্যেকের বস্ত্র হয় সম্পূর্ণ লাল রঙের পোশাক-জুতা সবই…

কাফির কি দীন শিক্ষার জন্য মসজিদে প্রবেশ করতে পারবে?

প্রশ্ন: কোনো আলোচনা কিংবা তা‘লীম শোনার উদ্দেশ্যে কাফিরের জন্য মসজিদে প্রবেশ করা জায়েয আছে কিনা? উত্তর: আল-হামদুলিল্লাহ, হ্যাঁ, এটি জায়েয আছে। তবে শর্ত হলো, কাফিরটি দ্বারা মসজিদ নাপাক হওয়ার কোনো সম্ভাবনা না থাকা। কারণ, কাফিরটির মসজিদে প্রবেশ করা তার ভালোর…